“ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকার ফেরানোই বিএনপির লক্ষ্য” — রকিবুল ইসলাম বকুল
মো: মোশারেফ আলী সোহেল: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, বিএনপির আন্দোলন ক্ষমতা দখলের জন্য নয়, বরং জনগণের হারানো ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। তিনি বলেন, “আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে জনগণের অধিকার নিয়ে রাজপথে সংগ্রাম করছি। আমাদের লক্ষ্য একটাই—‘আমার ভোট আমি দেবো, যাকে খুশি তাকে দেবো’ এই স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দেওয়া।”
আজ ১ নভেম্বর,২৫ তারিখ শনিবার বিকেলে খুলনা মহানগরীর ৬নং ওয়ার্ডে এলাকাবাসীর আয়োজনে বিএল কলেজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে সাধারণ নারী ভোটারদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বকুল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই জনগণের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে। “এই দীর্ঘ সংগ্রামে আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মীকে খুন ও গুম করা হয়েছে। লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী পঙ্গু হয়ে গেছে। বহু পরিবার তাদের প্রিয়জন হারিয়েছে, কিন্তু তাদের কোনো ন্যায়বিচার মেলেনি। আমাদের ছাত্রনেতারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি, তাদের শিক্ষাজীবন ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাস প্রসঙ্গে রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, “দেশের আপসহীন নেত্রীকে নির্জন কক্ষে বন্দি রাখা হয়েছিল শুধুমাত্র জনগণের অধিকারের পক্ষে কথা বলার অপরাধে। তিনি আপোষ করলে মুক্তি পেতেন, কিন্তু জনগণের অধিকার প্রশ্নে কোনো আপোষ করেননি।”
তিনি আরও বলেন, “অনেকে বলতেন, খুন হতে চাই, গুম হতে চাই না—কারণ খুন হলে অন্তত লাশটা পাওয়া যায়, কিন্তু গুম হলে পরিবার আজীবন অপেক্ষা করে থাকে। এই নির্মম সংস্কৃতি দেশে চালু করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার।”
বকুল বলেন, বিএনপি একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়। “আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই যেখানে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে, জনগণের ভোটেই সরকার গঠিত হবে এবং সেই সরকার জনগণের পাশে থাকবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি শফিকুল আলম মনা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, শিক্ষক জয় প্রকাশ, সালমা বেগম, মদীনা হাওলাদার, মিতা শাহা, হিরা খাতুন প্রমুখ।


। হাসিবের নামেও একাধিক মামলা আছে। দুজনই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সহযোগী। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জামিনে থাকা দুজন আসামি আদালতে হাজিরা দিয়ে আদালত ফটকের সামনে মোটরসাইকেল রেখে চা পান করতে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় চার থেকে পাঁচজন দুর্বৃত্ত হেঁটে এসে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
আপনার মতামত লিখুন