আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মহৎ উদ্যোগ, সাইকেলে সবজির ফেরিওয়ালা এখন চমৎকার এক গাড়ির মালিক
যিনি সাইকেলের ক্যারিয়ারে সবজির ঝুড়ি বসিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরতেন, এখন তিনি সবজির গাড়ি নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘোরেন।
ক্রেতারা তার গাড়িটি দেখলেই ছুটে আসে সবজী কিনতে। এই গাড়িটি এখন শুধুই সবজি-ভ্যান নয়, এটা ক্রেতাদের আকর্ষণ ও আস্থার প্রতীক।
গাড়িটির মালিক আবু মুসা। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী। ক্লাসে নিয়মিত ফার্স্ট হতেন।
সংসারে তীব্র অভাব ছিল, তারপরও চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা। সম্পন্ন করেছেন স্নাতক। মাদরাসায় প্রায় পাঁচ বছরের মতো শিক্ষকতাও করেছেন।
কিন্তু মাদরাসা থেকে ঠিকমতো বেতন পেতেন না। ওদিকে সংসারের ভার তার শীর্ণ কাঁধে।
অবশেষে নিরুপায় আবু মুসা সবজি বিক্রেতে হয়ে ওঠেন। প্রতিদিন ভোরে ৩০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে মৈতলা কাঁচাবাজারে যান। সেখান থেকে সবজি কিনে এনে গ্রামে গ্রামে বিক্রি করেন। সাইকেলই তার ভ্রাম্যমান দোকান।
সন্ধ্যার পর যখন বাড়ি ফেরেন, ক্ষুধা ও ক্লান্তিতে বিপর্যস্ত তার শরীর। প্রতিদিন এত কষ্ট করেন অথচ লাভ হয় ৩০০ টাকার মতো। অমানুষিক পরিশ্রমে আবু মুসার শরীর যখন ভেঙে পড়ার উপক্রম, তখনইদক্ষতাভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি প্রকল্পের সন্ধান পান তিনি।
একটি সবজি ভ্যানের জন্য তিনি আবেদন করেন। যাচাই-বাছাইয়ের পর গৃহীত হয় তার আবেদন। ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকায় তাকে আকর্ষণীয় সবজি ভ্যান-সহ যাবতীয় উপকরণ কিনে দেয়া হয়।গাড়িটি পাওয়ার পর আবু মুসার জীবন হয়েছে সহজ ও স্বস্তিকর। প্রতিদিন আয় করছেন ৫০০ টাকার মতো। সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার হরিনগর গ্রামে আবু মুসার বাড়ি।আবু মুসা শুধু একজন সবজি বিক্রেতা নন—তিনি একজন জীবনযোদ্ধা।


। হাসিবের নামেও একাধিক মামলা আছে। দুজনই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সহযোগী। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জামিনে থাকা দুজন আসামি আদালতে হাজিরা দিয়ে আদালত ফটকের সামনে মোটরসাইকেল রেখে চা পান করতে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় চার থেকে পাঁচজন দুর্বৃত্ত হেঁটে এসে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
আপনার মতামত লিখুন