গাজা দখলের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার উত্তরে অবস্থিত গাজা শহর দখলের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস প্রথম এ তথ্য সামনে এনেছে। তবে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এখনো এই পরিকল্পনাটি প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেনি।
শুক্রবার (৮ আগস্ট) আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
অ্যাক্সিওস ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘রাজনৈতিক-নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা হামাসকে পরাজিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে বেসামরিক জনগণকে মানবিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি গাজা শহর দখলের প্রস্তুতি নেবে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ ইসরাইলি কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদমাধ্যটি আরো জানিয়েছে, আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে গাজা শহর থেকে সব ফিলিস্তিনিকে কেন্দ্রীয় শিবির ও অন্যান্য এলাকায় সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর শহরে থাকা হামাস যোদ্ধাদের অবরুদ্ধ করে স্থল অভিযান চালানো হবে।
ওয়াশিংটন ডিসিতে আল জাজিরা জানায়, গাজা দখলের এই পদক্ষেপের ইঙ্গিত গত কয়েকদিন ধরেই মিলছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও নেতানিয়াহুর পরিকল্পনাকে কার্যত সবুজ সংকেত দিয়েছেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেয়া এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইল ‘পুরো গাজার নিয়ন্ত্রণ নেবে’। তিনি আরো বলেন, ইসরাইল গাজা শাসন করতে চায় না এবং একটি অনির্দিষ্ট তৃতীয় পক্ষের কাছে তারা দায়িত্ব হস্তান্তর করবে।
গত সপ্তাহেই ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, গাজা দখলের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে এবং শিগগিরই নেতানিয়াহু তা ঘোষণা করবেন। এরপর সোমবার নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে ইসরাইলি চ্যানেল-১২ এক প্রতিবেদনে জানায়, ‘গাজা দখলের সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে নেয়া হয়েছে।’


। হাসিবের নামেও একাধিক মামলা আছে। দুজনই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সহযোগী। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জামিনে থাকা দুজন আসামি আদালতে হাজিরা দিয়ে আদালত ফটকের সামনে মোটরসাইকেল রেখে চা পান করতে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় চার থেকে পাঁচজন দুর্বৃত্ত হেঁটে এসে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
আপনার মতামত লিখুন