খুঁজুন
রবিবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কখনো নায়িকা, কখনো খলনায়িকা, আবার কখনো মা- অভিনেত্রী রম্যা কৃষ্ণণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩:০৩ অপরাহ্ণ
কখনো নায়িকা, কখনো খলনায়িকা, আবার কখনো মা- অভিনেত্রী রম্যা কৃষ্ণণ

বিনোদন ডেস্ক: ভারতীয় সিনেমায় অনেক অভিনেত্রী আছেন, কিন্তু তাঁদের মধ্যে কয়েকজন সত্যিই অনন্য। যেমন রম্যা কৃষ্ণণ—কখনো নায়িকা, কখনো খলনায়িকা, আবার কখনো পর্দার মা। আশ্চর্যের বিষয়, একই নায়কের সঙ্গে কখনো প্রেমিকার চরিত্রে, আবার কিছু বছর পর সেই নায়কের মায়ের ভূমিকায় তাঁকে অভিনয় করতে দেখা গেছে।

২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া তেলেগু ছবি ‘নানি’-তে রম্যা কৃষ্ণণ ছিলেন মহেশ বাবুর প্রেমিকা। তখন মহেশ বাবু তাঁর থেকে পাঁচ বছরের ছোট। দুই দশক পর আবারও তাঁদের একসঙ্গে দেখা গেল ২০২৪ সালের আলোচিত ছবি ‘গুন্তুর কারাম’-এ। তবে এবার রম্যা কৃষ্ণণ সেখানে মহেশ বাবুর মায়ের চরিত্রে। তবে যে চরিত্রেই হোক, তিনি মানিয়ে নেন ভিন্ন ভিন্ন রূপে।

চার দশকের ক্যারিয়ার
রম্যা কৃষ্ণণের ক্যারিয়ার চার দশকের বেশি সময়জুড়ে বিস্তৃত। ২০০টির বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি—তামিল, তেলেগু, কন্নড়, মালয়ালম থেকে বলিউড পর্যন্ত। নব্বইয়ের দশকে তামিল ও তেলেগু সিনেমায় তিনি জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছান। বিশেষ করে রজনীকান্তের সঙ্গে ‘পদায়াপ্পা’ (১৯৯৯) ছবির ‘নীলাম্বারি’ চরিত্র আজও দর্শকের মনে গেঁথে আছে।

তেলেগু সিনেমায় ‘আল্লারি মোগুদু’, ‘হ্যালো ব্রাদার’, ‘নারসিমহা নাইডু’তে তাঁর অভিনয় স্মরণীয় হয়ে আছে। হিন্দি ছবিতেও সাহসী চরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে। সঞ্জয় দত্তের বিপরীতে ‘খলনায়ক’-এ তাঁর চরিত্র বিশেষভাবে আলোচিত হয়। আবার যশ চোপড়ার ছবি ‘পরম্পরা’-তে বিনোদ খান্নার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যেও চমকে দিয়েছিলেন দর্শককে।

নতুন রূপে রম্যা
সময় গড়াতে গড়াতে রম্যা কৃষ্ণণ ধীরে ধীরে পরিণত ও শক্তিশালী চরিত্রে চলে আসেন। সবচেয়ে বড় প্রমাণ ‘বাহুবলী’ সিরিজের শিবগামি। রাজমৌলির এ ছবিতে তাঁর অনবদ্য অভিনয় তাঁকে এনে দিয়েছে সর্বভারতীয় পরিচিতি ও সম্মান। কেবল চলচ্চিত্রে নয়, টেলিভিশন নাটক ও রিয়েলিটি শোতেও তিনি সমানভাবে সফল হয়েছেন।

সম্পদ ও জনপ্রিয়তা
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, রম্যা কৃষ্ণণের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯৮ কোটি রুপি। দক্ষিণের এই নায়িকা প্রমাণ করেছেন, বয়স তাঁর কাছে একটা সংখ্যা মাত্র। একসময় নায়িকা হয়ে দাপট দেখিয়েছেন, এখন ভিন্ন চরিত্রেও নিজের দক্ষতা দিয়ে টিকে আছেন।
তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়াডটকম

খুলনায় আদালতে হাজিরা দিতে আসা দুজনকে গুলি করে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
খুলনায় আদালতে হাজিরা দিতে আসা দুজনকে গুলি করে হত্যা

মো: মোশারেফ আলী সোহেল: খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের বাইরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।
বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, নিহত দুজন হলেন মো. ফজলে রাব্বি (রাজন) ও হাসিব হাওলাদার।
পুলিশ জানায়, রাজনের নামে ছয়টা মামলা আছে। হাসিবের নামেও একাধিক মামলা আছে। দুজনই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সহযোগী। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জামিনে থাকা দুজন আসামি আদালতে হাজিরা দিয়ে আদালত ফটকের সামনে মোটরসাইকেল রেখে চা পান করতে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় চার থেকে পাঁচজন দুর্বৃত্ত হেঁটে এসে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে তাঁরা দুজন মাটিতে পড়ে গেলে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে তাদের। দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
গুলিবিদ্ধ হাসিবের ভাই শাকিল হাওলাদার বলেন, কিছুদিন আগে তাঁর ভাইয়ের নামে একটা অস্ত্র মামলা হয়। সেই মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে এসেছিলেন তাঁর ভাই।
খুলনা মহানগর পুলিশের খুলনা জোনের সহকারী কমিশনার শিহাব করিম বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। বিষয়টা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। কারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, কেন তাঁদের গুলি করা হয়েছে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। পরবর্তীতে জানানো হবে।

“অতীতের অভিজ্ঞতা অন্যায়ের মুখে আপস না করার শিক্ষা দেয়”—মতবিনিময় সভায় রকিবুল ইসলাম বকুল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
“অতীতের অভিজ্ঞতা অন্যায়ের মুখে আপস না করার শিক্ষা দেয়”—মতবিনিময় সভায় রকিবুল ইসলাম বকুল

মো: মোশারেফ আলী সোহেল:
অতীতের অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে অন্যায়ের সামনে মাথানত না করতে, আর বর্তমানের অঙ্গীকার—একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা”—এমন দৃঢ় মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল।

শুক্রবার রাতে খানজাহান আলী থানা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সাবেক নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে না দিলে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণ সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যেই দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে চলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ মতিয়ার রহমান এবং প্রধান বক্তা ছিলেন মীর কায়ছেদ আলী। বক্তব্য রাখেন শেখ ইকবাল হোসেন, কাজী মিজানুর রহমান, আবু সাঈদ আব্বাস, মিরাজুল ইসলাম নান্নু, মোল্লা সোহাগ, রফিকুল ইসলাম সবুর, মুন্সী আব্দুর রব, মোল্লা সুলাইমান হোসেন, কিবরিয়া মেম্বার, শহিদুল ইসলাম, মো. মহিউদ্দিন, মো. শাহজাহান, মো. পলাশ, আরিফুর রহমান সান্টু, হাদিউজ্জামানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বকুল আরও বলেন,বিএনপির জন্ম ত্যাগ-সংগ্রাম ও গণআকাঙ্ক্ষা থেকে। সংগঠনের শিকড় যখন মাটিতে গভীর হয়, তখন আন্দোলন হয় বলিষ্ঠ, নেতৃত্ব হয় দূরদর্শী এবং জনগণের অধিকার আদায়ের পথ সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যই হবে আগামী দিনের সবচেয়ে বড় শক্তি। অনুষ্ঠানের শেষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারাভিযানের আলোচনা সভার বক্তারা: ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধে নারীদের জন্য নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারাভিযানের আলোচনা সভার বক্তারা: ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধে নারীদের জন্য নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করতে হবে

নিজস্ব প্রতিনিধি: নারীদের একটি বড় অংশকেই অনলাইনে অপমানজনক মন্তব্য, অবাঞ্ছিত বার্তা, ভুয়া আইডি তৈরি, ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও অনুমতি ছাড়া প্রকাশসহ নানা ধরনের ডিজিটাল সহিংসতার মুখে ফেলছে। নারীর স্বাধীন মতপ্রকাশ রক্ষায় একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক ডিজিটাল স্পেস তৈরির জন্য সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। ২৯ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় খুলনা শহীদ হাদিস পার্কে রূপান্তর আয়োজিত মোমবাতি প্রজ্বলন ও শপথ বাক্য পাঠ অনুষ্ঠানে এ কথাগুলো বলেন বক্তারা।
‘ডিজিটাল সহিংসতা রুখে দিতে ঐক্যবদ্ধ হোন: নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করুন’ এই প্রতিপাদ্যে ‘১৬ দিনব্যাপী নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ২০২৫’ উপলক্ষে আশ্বাস প্রকল্পের আওতায় উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর মোমবাতি প্রজ্বলন, আলোচনা সভা, শপথ বাক্য পাঠ ও পটগান প্রদর্শনীর আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বক্তাব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইটি) নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছা, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ম্যাজিস্ট্রেট কৌশিক আহম্মেদ, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুরাইয়া সিদ্দীকা, রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, নারী নেত্রী ও উন্নয়ন কর্মী শামিমা সুলতানা শিলু, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী এ্যাড. মমিনুল ইসলাম ও অশোক কুমার সাহা, রূপান্তরের এইচআর ম্যানেজার মঞ্জুয়ারা পারভীন, প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর সুবল কুমার ঘোষ।
বক্তারা বলেন, নারীদের একটি বড় অংশকেই অনলাইনে অপমানজনক মন্তব্য, অবাঞ্ছিত বার্তা, ভুয়া আইডি তৈরি, ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও অনুমতি ছাড়া প্রকাশসহ নানা ধরনের ডিজিটাল সহিংসতার মুখে পড়তে হয়। এগুলো তাদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফলে নারীদের মধ্যে উদ্বেগ, হতাশা, ঘুমের ব্যাঘাত ও আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়ার মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়। ফেসবুক, টিকটক, হোয়াটসঅ্যাপসহ নানা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, কিন্তু এর আড়ালেই লুকিয়ে আছে ভয়ংঙ্কর মানব পাচারকারী চক্র। এই চক্রের এজেন্টরা (দালাল) টিকটক, লাইকি, ফেসবুক, টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে নারী ও শিশুদের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে এবং দেশে-বিদেশে লোভনীয় চাকরিসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের পাচার করছে। এমনকি জিম্মি করে মুক্তিপণ আদাও তারা প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে।
তাই সবার জন্য বিশেষ করে ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধে নারীদের জন্য নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করতে হবে বলে জোর দেন বক্তারা। বক্তারা আরও বলেন, কিন্তু অধিকাংশ ভুক্তভোগী এখনো রিপোর্টিং পদ্ধতি, সহায়তা কেন্দ্র ও প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা টুলস সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা রাখে না। সে কারণেই ডিজিটাল হয়রানি, ডিভাইস ও প্রযুক্তি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ সমস্যা, সাইবার বুলিং, অনলাইন নিরাপত্তা, মানসিক সুস্থতা এবং নারীর স্বাধীন মতপ্রকাশ রক্ষায় একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক ডিজিটাল স্পেস তৈরির জন্য সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। অনুষ্ঠানে শপথ বাক্য পাঠ করান উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নবনীতা দত্ত।
অনুষ্ঠানে নারী সংগঠনের প্রতিনিধি, ইয়োথ ক্লাবের প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, ছাত্র, শিক্ষক, সরকারী বেসরকারী চাকুরীজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, গৃহিনী, সিটিসি সদস্য, সিটিআইপি প্রতিনিধিসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রূপান্তরের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর রাবেয়া বশরী।

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুল হান্নান

নির্বাহী সম্পাদক : সুশান্ত রায়

বার্তা সম্পাদক: মো: বেলাল হোসেন

পদুয়ার বাজার, বিশ্বরোড, কুমিল্লা।

hannanbd032@gmail.com

Developed By: Digital Network