খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রায় দুই দশক পর আবারও বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হতে যাচ্ছে শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
প্রায় দুই দশক পর আবারও বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হতে যাচ্ছে শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’।

বিনোদন ডেস্ক:  এ সময় মাহফুজ আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হতে যাওয়া ‘নতুন কুঁড়ি’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চায় উদ্বুদ্ধ করা এবং জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ করে দেয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে (১৯৭৬ সালে) এই অনুষ্ঠানটি চালু হয়েছিল। তবে পরে শেখ হাসিনা সরকার রাজনৈতিক কারণে অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়। বর্তমান সরকার রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে দেশের শিশু-কিশোর ও তরুণদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ তৈরি করছে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের শিল্পী, গায়ক ও সংস্কৃতিকর্মী তৈরি হবে যারা জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

তিনি বলেন, প্রায় দুই দশক পর আবারো বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হতে যাচ্ছে শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা যারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছি এবং যারা এ গণ-অভ্যুত্থানে কাজ করেছি, তাদের সবারই আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা। নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন করে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করা, নতুনভাবে তার সূচনা করা- এই ছিল আমাদের অঙ্গীকার।’

তিনি জানান, অনুষ্ঠানের কাঠামোয় তেমন পরিবর্তন আনা হয়নি। আগের মতোই গান, নৃত্য, বক্তৃতা, উপস্থাপনা ও গল্প বলাসহ বিভিন্ন বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। পুরোনো থিম সংকে ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে এবং প্রতি বছর নতুন থিম সং প্রকাশ করা হবে।

মাহফুজ আলম বলেন, ‘মেধাভিত্তিক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় তৃণমূল থেকে প্রতিভা বাছাই করা হবে। কাউকে বিশেষভাবে উপরে ওঠানো বা সরানোর কোনো উদ্দেশ্য সরকারের নেই। যে প্রতিভাবান এবং জাতিকে প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্য তাকেই সামনে আনা হবে। বিচার প্রক্রিয়ায় বিভাজন কমাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কেউ যদি নিরপেক্ষতার বাইরে গিয়ে সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করে, তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

গত ১৫ থেকে ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গন একপেশে হয়ে পড়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সাংস্কৃতিক কর্মী, শিল্পী, গায়ক-অভিনেতাদের সাথে এক ধরনের ক্লায়েন্ট-প্যাট্রন সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়েছিল। বর্তমান সরকার সে প্রথা ভেঙে দিয়ে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নতুন প্রজন্মকে সামনে আনার উদ্যোগ নিয়েছে।’

অনুষ্ঠানে তিনি চলমান ফিল্ম সিটি প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বলেন, ১০৪ একর জমিতে পূর্ণাঙ্গ একটি ফিল্ম সিটি গড়ে তোলার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের গুণগত পরিবর্তনের কারিগর আখ্যায়িত করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশে যিনি সম্মানের যোগ্য, তাকে অবশ্যই সম্মান দিতে হবে। অতীতে রাজনৈতিক কারণে তার নাম পরিবর্তন করা হয়েছিল, কিন্তু নতুন বাংলাদেশে সবাইকে প্রাপ্য সম্মান দেয়া হবে।’

আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আয়োজন সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অক্টোবরের শেষ বা নভেম্বর নাগাদ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। নতুন প্রজন্মের প্রতিভাবানরা এখান থেকে উঠে এসে জাতীয় সংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মো: মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা শিশুদের সাথে ‘নতুন কুঁড়ি’র গান শোনেন এবং কণ্ঠ মেলান। পরে তিনি পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে এবং কেক কেটে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। একইসাথে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমও শুরু হয়।

১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘নতুন কুঁড়ি’র যাত্রা শুরু হয়। দেশের শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশ এবং জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ করে দেয়ার জন্য একসময় অনুষ্ঠানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৫ সালে পুনরায় যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজন।

সূত্র : বাসস

খুলনায় মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
খুলনায় মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধিঃ ১৪ জানুয়ারি (বুধবার) সকাল ১১টায় খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার আড়ংঘাটা ইউনিয়ন মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির দ্বি-মাসিক সভা অত্র ইউপি চেয়ারম্যান এস এম ফরিদ আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

‎‎উইনরক ইন্টারন্যাশনালের বাস্তবায়নে এবং আশ্বাস প্রকল্পের আওতায় রূপান্তর এই সভা আয়োজন করে। সভার শুরুতেই গত সভার রেজুলেশন পাঠ ও সভার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন অত্র ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: আনছার আলী বিশ্বাস।
‎সভায় মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে ইউনিয়নের বরাদ্দকৃত খাত থেকে মাইকিং, ওয়ার্ড সভা, উঠান বৈঠক, দিবস উৎযাপন, সারভাইভারদের সুরক্ষা ও সেবা প্রাপ্তিতে সহায়তাসহ মানব পাচারের বর্তমান প্রবনতা, ধরন বা কৌশলের উপর ভিত্তি করে কমিউনিটির সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ্যাডভোকেসির ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে দ্বিমাসিক কর্মপরিকল্পনা তৈরী করা হয়।
‎আলোচনা সভায় অংশ নেন ইউপি সদস্য মো: রাজু আহম্মেদ, মো: জিল্লু রহমান, মো: আলামিন শেখ, ফারজানা বিউটি, তাসলিমা খাতুন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ছাবিহা শারমিন, ইউনিয়ন সমাজ কর্মী ফারজানা রহমান মনি, স্বাস্থ্য সহকারী মহুয়া আফছানা মৌ, শিক্ষক ইয়ার হোসেন, ইমাম মাওলানা আব্দুল ছবুর শেখ, ম্যারেজ রেজিষ্টার মো: মহিউদ্দিন, আনছার ভিডিপি ইউনিয়ন লিডার মো: জনি শেখ আশ্বাস প্রকল্পের প্রোগাম অফিসার মো: মোশারেফ আলী সোহেল, কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর মিতা মজুমদার প্রমুখ।

খালেদা জিয়া কখনো আপোষ করেননি, তাঁর দেখানো পথেই দেশ গড়বেন তারেক রহমান-খুলনায় নাগরিক শোকসভায় বক্তারা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
খালেদা জিয়া কখনো আপোষ করেননি, তাঁর  দেখানো পথেই দেশ গড়বেন তারেক রহমান-খুলনায় নাগরিক শোকসভায় বক্তারা

মো: মোশারেফ আলী সোহেল:
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ‘এশিয়ার নেলসন ম্যান্ডেলা’ হিসেবে অভিহিত করে বিএনপি নেতারা বলেছেন, আপোষহীন রাজনীতির যে দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন, সেই পথ ধরেই দেশ ও দল পরিচালনা করবেন তারেক রহমান। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনার ঐতিহাসিক শহীদ হাদিস পার্কে খুলনা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন বক্তারা।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও খুলনা ২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ৪১ বছরের রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়া একজন সাধারণ গৃহবধূ থেকে আপোষহীন দেশনেত্রীতে পরিণত হয়েছেন। তার সংগ্রাম ও ত্যাগের ইতিহাস পৃথিবীর রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল। তিনি বলেন, দেশের মানুষের ভোটে তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে তিনি দক্ষতার সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। “তার জীবনী শুধু আলোচনার নয়, গবেষণার বিষয়—উল্লেখ করেন মঞ্জু। বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত ত্যাগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে গিয়ে তিনি স্বামী হারিয়েছেন, সন্তান হারিয়েছেন। এক সন্তানকে বিদেশে রেখেও তিনি দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপোষ করেননি। এরশাদ শাসনামলে বিএনপিকে সংগঠিত করা এবং রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় গণতন্ত্রে উত্তরণে তার ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক।
সার্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন,শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত সার্ককে বেগম জিয়া অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, যিনি সব রাজনৈতিক শক্তিকে এক প্ল্যাটফর্মে এনেছিলেন। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ছাত্র-জনতার যে বিজয় অর্জিত হয়েছে, তার বড় দাবিদার বেগম খালেদা জিয়া। “১৬ বছরের আন্দোলন ও সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশ আজ স্বৈরাচারমুক্ত। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সফল হতে হবে এবং দ্রুত একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বিএনপি নিয়ে সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বিএনপি মানুষের হাড়-মজ্জায় মিশে আছে। ঘরে ঘরে, বাসে-ট্রেনে, চায়ের দোকানে—সর্বত্র বিএনপি। ষড়যন্ত্র করে বিএনপির অগ্রযাত্রা থামানো যাবে না। প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেন,বাংলাদেশের এমন কোনো প্রান্ত নেই, যেখানে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া হচ্ছে না। তিনি এখন আর শুধু বিএনপির নন, তিনি পুরো জাতির সম্পদ। রাজনৈতিক স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ১৯৮১ সালে রাজনীতিতে পদার্পণ এবং ১৯৮৪ সালে বিএনপির দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশ অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। “দলবদল তখন সংক্রামক ব্যাধির মতো ছিল। কিন্তু বেগম জিয়া রাজপথে থেকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।” তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে আমরা স্লোগান দিতাম—‘হটাও এরশাদ, বাঁচাও দেশ, খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ’।বেগম খালেদা জিয়াকে ফিলিপাইনের নেত্রী কোরাজন অ্যাকুইনোর সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, জনগণের শক্তিতেই তিনি স্বৈরাচারকে বিদায় নিতে বাধ্য করেছিলেন। বেগম জিয়ার শাসনামলের সংস্কারমূলক পদক্ষেপ তুলে ধরে হেলাল বলেন, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মেয়েদের দশম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা এবং বিদ্যালয়ে খাবার কর্মসূচি ছিল যুগান্তকারী উদ্যোগ। নারী মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি এবং তারামন বিবির মতো বীরাঙ্গনাদের সম্মান পুনরুদ্ধারও তার সাহসী সিদ্ধান্তের উদাহরণ।
আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে এবং দেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হবে। তিনি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়ে বলেন, ৫০ লাখ পরিবারকে এই কার্ড দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে পরিবারের মায়েরা মাসে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা সরাসরি পাবেন। উন্নত চিকিৎসার ব্যয়ভারও রাষ্ট্র বহন করবে।”
সভাপতির বক্তব্যে খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন মানেই গণতন্ত্রের জন্য আপোষহীন লড়াই। বেগম খালেদা জিয়া ও আপোষহীনতা—এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক। তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি বিদেশের মাটিতেও আপোষ করেননি।ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন—সম্পর্ক হবে সমতা ও সম্মানের ভিত্তিতে। এমন দৃঢ়তা কেবল তার পক্ষেই সম্ভব। আগামী নেতৃত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমান আমাদের আশার আলো। বেগম খালেদা জিয়া যে পথ দেখিয়েছেন, সেই পথেই তিনি দল ও রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন। খুলনার জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ধানের শীষে ভোট দিয়েই জাতীয়তাবাদী শক্তিকে বিজয়ী করতে হবে।
সভায় বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, জেলা বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, ড্যাব সভাপতি ডা. রফিকুল ইসলাম বাবলু, খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, খুলনা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শোক সভার সঞ্চালনা ও শোক প্রস্তাব পাঠ করেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। সভা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা এবং প্রয়াত নেতাকর্মীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

সবাই মিলে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে আমরা একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে পারবো।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
সবাই মিলে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে আমরা একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে পারবো।

দিঘলিয়ার সেনহাটী ইউনিয়নে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সভায় বক্তারা: সবাই মিলে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে আমরা একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে পারবো।

মানব পাচার একটি গুরুতর অপরাধ। যা শুধু মানুষের মৌলিক অধিকার লঙঘন করে না, বরং একটি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকেও হুমকির মুখে ফেলে। সবাই মিলে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে আমরা একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে পারবো। ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটী ইউনিয়ন মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির দ্বি-মাসিক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। অত্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়া গাজীর সভাপতিত্বে উক্ত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নবনীতা দত্ত।

‎‎সভার শুরুতেই গত সভার রেজুলেশন পাঠ ও সভার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন অত্র ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তানভীন আক্তার ডলি।
‎উইনরক ইন্টারন্যাশনালের বাস্তবায়নে এবং আশ্বাস প্রকল্পের আওতায় রূপান্তর এই সভা আয়োজন করে। সভায় মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে ইউনিয়নের বরাদ্দকৃত খাত থেকে মাইকিং, ওয়ার্ড সভা, উঠান বৈঠক, দিবস উৎযাপন, সারভাইভারদের সুরক্ষা ও সেবা প্রাপ্তিতে সহায়তাসহ মানব পাচারের বর্তমান প্রবনতা, ধরন বা কৌশলের উপর ভিত্তি করে কমিউনিটির সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ্যাডভোকেসির ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে দ্বিমাসিক কর্মপরিকল্পনা তৈরী করা হয়।
‎আলোচনা সভায় অংশ নেন ইউপি সদস্য এস এম আছাদুজ্জার জামান, মো: আকবর সরদার, মো: আমীর হোসেন, ঝর্ণা খাতুন, উপ কৃষি কর্মকর্তা সাগর সরকার, উপজেলা প্রেস ক্লাবের উপদেষ্ঠা ডা. সৈয়দ আবুল কাশেম, স্বাস্থ্য সহকারী সেলিলা অক্তার, শিক্ষক নাছিমা খাতুন, ইমাম মাওলানা মো: আলমগীর, আশ্বাস প্রকল্পের প্রোগাম অফিসার মো: মোশারেফ আলী সোহেল, কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর নাজমুন হাছিন রিপা প্রমুখ।

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুল হান্নান

নির্বাহী সম্পাদক : সুশান্ত রায়

বার্তা সম্পাদক: মো: বেলাল হোসেন

পদুয়ার বাজার, বিশ্বরোড, কুমিল্লা।

hannanbd032@gmail.com

Developed By: Digital Network