খুঁজুন
রবিবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রায় দুই দশক পর আবারও বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হতে যাচ্ছে শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
প্রায় দুই দশক পর আবারও বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হতে যাচ্ছে শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’।

বিনোদন ডেস্ক:  এ সময় মাহফুজ আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হতে যাওয়া ‘নতুন কুঁড়ি’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চায় উদ্বুদ্ধ করা এবং জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ করে দেয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে (১৯৭৬ সালে) এই অনুষ্ঠানটি চালু হয়েছিল। তবে পরে শেখ হাসিনা সরকার রাজনৈতিক কারণে অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়। বর্তমান সরকার রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে দেশের শিশু-কিশোর ও তরুণদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ তৈরি করছে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের শিল্পী, গায়ক ও সংস্কৃতিকর্মী তৈরি হবে যারা জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

তিনি বলেন, প্রায় দুই দশক পর আবারো বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হতে যাচ্ছে শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা যারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছি এবং যারা এ গণ-অভ্যুত্থানে কাজ করেছি, তাদের সবারই আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা। নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন করে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করা, নতুনভাবে তার সূচনা করা- এই ছিল আমাদের অঙ্গীকার।’

তিনি জানান, অনুষ্ঠানের কাঠামোয় তেমন পরিবর্তন আনা হয়নি। আগের মতোই গান, নৃত্য, বক্তৃতা, উপস্থাপনা ও গল্প বলাসহ বিভিন্ন বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। পুরোনো থিম সংকে ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে এবং প্রতি বছর নতুন থিম সং প্রকাশ করা হবে।

মাহফুজ আলম বলেন, ‘মেধাভিত্তিক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় তৃণমূল থেকে প্রতিভা বাছাই করা হবে। কাউকে বিশেষভাবে উপরে ওঠানো বা সরানোর কোনো উদ্দেশ্য সরকারের নেই। যে প্রতিভাবান এবং জাতিকে প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্য তাকেই সামনে আনা হবে। বিচার প্রক্রিয়ায় বিভাজন কমাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কেউ যদি নিরপেক্ষতার বাইরে গিয়ে সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করে, তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

গত ১৫ থেকে ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গন একপেশে হয়ে পড়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সাংস্কৃতিক কর্মী, শিল্পী, গায়ক-অভিনেতাদের সাথে এক ধরনের ক্লায়েন্ট-প্যাট্রন সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়েছিল। বর্তমান সরকার সে প্রথা ভেঙে দিয়ে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নতুন প্রজন্মকে সামনে আনার উদ্যোগ নিয়েছে।’

অনুষ্ঠানে তিনি চলমান ফিল্ম সিটি প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বলেন, ১০৪ একর জমিতে পূর্ণাঙ্গ একটি ফিল্ম সিটি গড়ে তোলার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের গুণগত পরিবর্তনের কারিগর আখ্যায়িত করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশে যিনি সম্মানের যোগ্য, তাকে অবশ্যই সম্মান দিতে হবে। অতীতে রাজনৈতিক কারণে তার নাম পরিবর্তন করা হয়েছিল, কিন্তু নতুন বাংলাদেশে সবাইকে প্রাপ্য সম্মান দেয়া হবে।’

আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আয়োজন সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অক্টোবরের শেষ বা নভেম্বর নাগাদ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। নতুন প্রজন্মের প্রতিভাবানরা এখান থেকে উঠে এসে জাতীয় সংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মো: মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা শিশুদের সাথে ‘নতুন কুঁড়ি’র গান শোনেন এবং কণ্ঠ মেলান। পরে তিনি পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে এবং কেক কেটে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। একইসাথে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমও শুরু হয়।

১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘নতুন কুঁড়ি’র যাত্রা শুরু হয়। দেশের শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশ এবং জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ করে দেয়ার জন্য একসময় অনুষ্ঠানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৫ সালে পুনরায় যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজন।

সূত্র : বাসস

খুলনায় আদালতে হাজিরা দিতে আসা দুজনকে গুলি করে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
খুলনায় আদালতে হাজিরা দিতে আসা দুজনকে গুলি করে হত্যা

মো: মোশারেফ আলী সোহেল: খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের বাইরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।
বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, নিহত দুজন হলেন মো. ফজলে রাব্বি (রাজন) ও হাসিব হাওলাদার।
পুলিশ জানায়, রাজনের নামে ছয়টা মামলা আছে। হাসিবের নামেও একাধিক মামলা আছে। দুজনই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সহযোগী। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জামিনে থাকা দুজন আসামি আদালতে হাজিরা দিয়ে আদালত ফটকের সামনে মোটরসাইকেল রেখে চা পান করতে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় চার থেকে পাঁচজন দুর্বৃত্ত হেঁটে এসে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে তাঁরা দুজন মাটিতে পড়ে গেলে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে তাদের। দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
গুলিবিদ্ধ হাসিবের ভাই শাকিল হাওলাদার বলেন, কিছুদিন আগে তাঁর ভাইয়ের নামে একটা অস্ত্র মামলা হয়। সেই মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে এসেছিলেন তাঁর ভাই।
খুলনা মহানগর পুলিশের খুলনা জোনের সহকারী কমিশনার শিহাব করিম বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। বিষয়টা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। কারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, কেন তাঁদের গুলি করা হয়েছে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। পরবর্তীতে জানানো হবে।

“অতীতের অভিজ্ঞতা অন্যায়ের মুখে আপস না করার শিক্ষা দেয়”—মতবিনিময় সভায় রকিবুল ইসলাম বকুল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
“অতীতের অভিজ্ঞতা অন্যায়ের মুখে আপস না করার শিক্ষা দেয়”—মতবিনিময় সভায় রকিবুল ইসলাম বকুল

মো: মোশারেফ আলী সোহেল:
অতীতের অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে অন্যায়ের সামনে মাথানত না করতে, আর বর্তমানের অঙ্গীকার—একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা”—এমন দৃঢ় মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল।

শুক্রবার রাতে খানজাহান আলী থানা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সাবেক নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে না দিলে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণ সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যেই দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে চলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ মতিয়ার রহমান এবং প্রধান বক্তা ছিলেন মীর কায়ছেদ আলী। বক্তব্য রাখেন শেখ ইকবাল হোসেন, কাজী মিজানুর রহমান, আবু সাঈদ আব্বাস, মিরাজুল ইসলাম নান্নু, মোল্লা সোহাগ, রফিকুল ইসলাম সবুর, মুন্সী আব্দুর রব, মোল্লা সুলাইমান হোসেন, কিবরিয়া মেম্বার, শহিদুল ইসলাম, মো. মহিউদ্দিন, মো. শাহজাহান, মো. পলাশ, আরিফুর রহমান সান্টু, হাদিউজ্জামানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বকুল আরও বলেন,বিএনপির জন্ম ত্যাগ-সংগ্রাম ও গণআকাঙ্ক্ষা থেকে। সংগঠনের শিকড় যখন মাটিতে গভীর হয়, তখন আন্দোলন হয় বলিষ্ঠ, নেতৃত্ব হয় দূরদর্শী এবং জনগণের অধিকার আদায়ের পথ সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যই হবে আগামী দিনের সবচেয়ে বড় শক্তি। অনুষ্ঠানের শেষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারাভিযানের আলোচনা সভার বক্তারা: ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধে নারীদের জন্য নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারাভিযানের আলোচনা সভার বক্তারা: ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধে নারীদের জন্য নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করতে হবে

নিজস্ব প্রতিনিধি: নারীদের একটি বড় অংশকেই অনলাইনে অপমানজনক মন্তব্য, অবাঞ্ছিত বার্তা, ভুয়া আইডি তৈরি, ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও অনুমতি ছাড়া প্রকাশসহ নানা ধরনের ডিজিটাল সহিংসতার মুখে ফেলছে। নারীর স্বাধীন মতপ্রকাশ রক্ষায় একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক ডিজিটাল স্পেস তৈরির জন্য সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। ২৯ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় খুলনা শহীদ হাদিস পার্কে রূপান্তর আয়োজিত মোমবাতি প্রজ্বলন ও শপথ বাক্য পাঠ অনুষ্ঠানে এ কথাগুলো বলেন বক্তারা।
‘ডিজিটাল সহিংসতা রুখে দিতে ঐক্যবদ্ধ হোন: নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করুন’ এই প্রতিপাদ্যে ‘১৬ দিনব্যাপী নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ২০২৫’ উপলক্ষে আশ্বাস প্রকল্পের আওতায় উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর মোমবাতি প্রজ্বলন, আলোচনা সভা, শপথ বাক্য পাঠ ও পটগান প্রদর্শনীর আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বক্তাব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইটি) নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছা, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ম্যাজিস্ট্রেট কৌশিক আহম্মেদ, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুরাইয়া সিদ্দীকা, রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, নারী নেত্রী ও উন্নয়ন কর্মী শামিমা সুলতানা শিলু, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী এ্যাড. মমিনুল ইসলাম ও অশোক কুমার সাহা, রূপান্তরের এইচআর ম্যানেজার মঞ্জুয়ারা পারভীন, প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর সুবল কুমার ঘোষ।
বক্তারা বলেন, নারীদের একটি বড় অংশকেই অনলাইনে অপমানজনক মন্তব্য, অবাঞ্ছিত বার্তা, ভুয়া আইডি তৈরি, ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও অনুমতি ছাড়া প্রকাশসহ নানা ধরনের ডিজিটাল সহিংসতার মুখে পড়তে হয়। এগুলো তাদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফলে নারীদের মধ্যে উদ্বেগ, হতাশা, ঘুমের ব্যাঘাত ও আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়ার মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়। ফেসবুক, টিকটক, হোয়াটসঅ্যাপসহ নানা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, কিন্তু এর আড়ালেই লুকিয়ে আছে ভয়ংঙ্কর মানব পাচারকারী চক্র। এই চক্রের এজেন্টরা (দালাল) টিকটক, লাইকি, ফেসবুক, টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে নারী ও শিশুদের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে এবং দেশে-বিদেশে লোভনীয় চাকরিসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের পাচার করছে। এমনকি জিম্মি করে মুক্তিপণ আদাও তারা প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে।
তাই সবার জন্য বিশেষ করে ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধে নারীদের জন্য নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করতে হবে বলে জোর দেন বক্তারা। বক্তারা আরও বলেন, কিন্তু অধিকাংশ ভুক্তভোগী এখনো রিপোর্টিং পদ্ধতি, সহায়তা কেন্দ্র ও প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা টুলস সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা রাখে না। সে কারণেই ডিজিটাল হয়রানি, ডিভাইস ও প্রযুক্তি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ সমস্যা, সাইবার বুলিং, অনলাইন নিরাপত্তা, মানসিক সুস্থতা এবং নারীর স্বাধীন মতপ্রকাশ রক্ষায় একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক ডিজিটাল স্পেস তৈরির জন্য সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। অনুষ্ঠানে শপথ বাক্য পাঠ করান উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নবনীতা দত্ত।
অনুষ্ঠানে নারী সংগঠনের প্রতিনিধি, ইয়োথ ক্লাবের প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, ছাত্র, শিক্ষক, সরকারী বেসরকারী চাকুরীজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, গৃহিনী, সিটিসি সদস্য, সিটিআইপি প্রতিনিধিসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রূপান্তরের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর রাবেয়া বশরী।

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুল হান্নান

নির্বাহী সম্পাদক : সুশান্ত রায়

বার্তা সম্পাদক: মো: বেলাল হোসেন

পদুয়ার বাজার, বিশ্বরোড, কুমিল্লা।

hannanbd032@gmail.com

Developed By: Digital Network