খুঁজুন
রবিবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্যামনগরে বুনো শাকের রান্না প্রতিযোগতিা ও খাদ্য উৎসব অনুষ্টিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫, ২:১৬ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বুনো শাকের রান্না প্রতিযোগতিা ও খাদ্য উৎসব অনুষ্টিত

শ্যামনগর(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ
প্রকৃতির সাথে মানুষের নিবিড় সম্পর্ক। আর এ প্রকৃতিতে আছে নানান প্রাণবৈচিত্র্য যা অনাদর, অবহেলা এবং অযত্নে বেড়ে উঠেছে। এসকল প্রাণবৈচিত্র্য মানুষ ও প্রানীর খাদ্য এবং ঔষধী হিসাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ব্যবহার হয়। জলবায়ু পরিবর্তন, লবনাক্ততা বৃদ্ধি, রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অবাদ ব্যবহার এবং মনুষ্য বসতি স্থাপনের ফলে এসকল উদ্ভিদ বৈচিত্র্যে এবং তার প্রাপ্তিস্থান হারিয়ে যাচ্ছে। আর এসকল উদ্ভিদ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণে ব্যক্তি ও সরকারী-বেসরকারী ভাবে চলছে নানা রকম উদ্যোগ, পরিচালিত হচ্ছে বিভিন্ন কর্মকান্ড।
প্রকৃতির এসকল উদ্ভিদবৈচিত্র্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিমজেলেখালী কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যা শিখণ কেন্দ্রে ২৪ নভেম্বর রোজ সোমবারে দিনব্যাপি অনুষ্টিত হয়েছে “উপকুলীয় গ্রামীন নারীদের বুনো শাকের রান্না প্রতিযোগিতা ও খাদ্য উৎসব”।
দিনব্যাপি অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে সবুজ সংহতি ও স্থানীয় জনসংগঠনগুলো, সহযোগিতা করে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক। এবং অংশগ্রহন করেন কৃষক-কৃষানি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের সদস্যরা।
উক্ত রান্না প্রতিযোগিতা ও খাদ্যউৎসবে পশ্চিমজেলেখালী গ্রামের স্থানীয় পাঁচটি জনসংগঠনের ১৬ জন নারী ও পুরুষ প্রত্যেকেই একটি করে সবজি/খাবার রান্না করেন। ১৬ রকমের (কচুশাক, মাটিফোড়া, ডুমুর, বুনো আমড়া, কলমিশাক, থানকুনি, শাপলা, কলার মোচা, আদাবরুন, কলার থোড়, কচুশাক, কাটানুটে, ঘুমশাক, তেলাকচু, আমরুল ও মিশ্রিত শাক) কুড়িয়ে পাওয়া শাক রান্না করেন। আর এ সকল শাক নারীরা তাদের বাড়ির আঙিনা, খাল-বিল, জলাশয় থেকে কুড়িয়ে আনেন।
গ্রামীণ এক উৎসব মুখর পরিবেশে বুনো শাকের রান্না প্রতিযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল রান্না ও স্বাদ গ্রহণ কর্মসূচি। ব্যতিক্রমধর্মী এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের সবুজ সংহতির সভাপতি ডাঃ যোগেশ মন্ডল। এসময় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ইউপি সদস্য দেবাশীষ গায়েন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাসুম বিল্লা, শিক্ষক হেমা রানী, কৃষানী অল্পনা রানী মিস্ত্রি, লতা রানী, শিক্ষার্থী অনন্যা ও ধৃতিমা, কৃষক ভুধর চন্দ্র মন্ডল, বারসিক কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ মন্ডল ও মারুফ হোসেন।
যোগেশ মন্ডল বলেন, আজকের এ রান্না প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রকৃতির সকল উদ্ভিদবৈচিত্র্য সংরক্ষণ, ব্যবহার ও বিকাশের জন্য নতুন প্রজন্মের সাথে গ্রামীণ নারীদের যেমন সেতু বন্ধন তৈরি হচ্ছে তেমনি তা প্রচারণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে সকল প্রাণের খাদ্য নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখার আহবান।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাসুম বিল্লা জানান যে, “গ্রাম্য পরিবেশে কত রকমের যে পুষ্টিকর খাবার আছে তা দেখতে পেলাম। আমরা বাজার থেকে যে শাকসবজি ক্রয় করি তা কিন্তু সার বিষে ভরা যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই আমাদের সুস্থ্যভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রকৃতির এ-সব উদ্ভিদ বৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে হবে। ”
ইউপিসদস্য দেবাশিষ গায়েন জানান যে, ‘আমরা উপকূল এলাকার মানুষ। এখানে যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ তেমনি লবণাক্ততার মাত্রা বেশি। তারপরও অসংখ্য প্রাণবৈচিত্র্য এখনো টিকে আছে আমাদের এলাকায়। এগুলো ছিলো গ্রামীণ মানুষের খাদ্য ভান্ডার ও পুষ্টির উৎস। আর এগুলো এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাহলে সকলেই এর ব্যবহার ও গুণাবলী সম্পর্কে সচেতন হবে এবং প্রাণবৈচিত্র্য টিকে থাকবে।’
শিক্ষার্থী অনন্যা বলেন, ‘আমরা তো অনেক দিন এসকল উদ্ভিদ একজায়গায় দেখেনি আজ এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তা দেখতে পেলাম। এগুলো টিকিয়ে রাখার জন্য পরিবার পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে ভিটামিন যুক্ত এই খাবার রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে।”
নির্ধারিত সময়ে রান্না শেষে চলে স্বাদ গ্রহণ কর্মসূচি। নারীরা তাদের রান্নার প্রধান উপকরণ কুড়িয়ে পাওয়া শাক/তরকারী সম্পর্কে উপস্থিত সকলকে অবহিত করেন এবং বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এরপর ৭ সদস্য বিচারকদয় স্বাদ- পুষ্টিগুন ও উপস্থাপনার উপর ভিত্তিতে বিজয়ী নির্বচন করেন যার বুনো আমড়া রান্না করে প্রথম স্থান অধিকার করেন যুব কৃষক প্রশান্ত নস্কর শাপলা ফুলের চপ, কলমি শাক রান্না করে দ্বিতীয় হোন শিক্ষার্থী জবা ও থানকুনি রান্না করে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন কৃষাণী ঝরনা রানী মন্ডল। নতুন প্রজন্মের মাঝে আগ্রহ মনোযোগ সৃষ্টিতে ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গ্রামীণ নারীর অবদানকে স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে বিজয়ী এবং অংশগ্রহণকারী সকল নারীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

খুলনায় আদালতে হাজিরা দিতে আসা দুজনকে গুলি করে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
খুলনায় আদালতে হাজিরা দিতে আসা দুজনকে গুলি করে হত্যা

মো: মোশারেফ আলী সোহেল: খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের বাইরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।
বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, নিহত দুজন হলেন মো. ফজলে রাব্বি (রাজন) ও হাসিব হাওলাদার।
পুলিশ জানায়, রাজনের নামে ছয়টা মামলা আছে। হাসিবের নামেও একাধিক মামলা আছে। দুজনই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সহযোগী। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জামিনে থাকা দুজন আসামি আদালতে হাজিরা দিয়ে আদালত ফটকের সামনে মোটরসাইকেল রেখে চা পান করতে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় চার থেকে পাঁচজন দুর্বৃত্ত হেঁটে এসে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে তাঁরা দুজন মাটিতে পড়ে গেলে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে তাদের। দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
গুলিবিদ্ধ হাসিবের ভাই শাকিল হাওলাদার বলেন, কিছুদিন আগে তাঁর ভাইয়ের নামে একটা অস্ত্র মামলা হয়। সেই মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে এসেছিলেন তাঁর ভাই।
খুলনা মহানগর পুলিশের খুলনা জোনের সহকারী কমিশনার শিহাব করিম বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। বিষয়টা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। কারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, কেন তাঁদের গুলি করা হয়েছে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। পরবর্তীতে জানানো হবে।

“অতীতের অভিজ্ঞতা অন্যায়ের মুখে আপস না করার শিক্ষা দেয়”—মতবিনিময় সভায় রকিবুল ইসলাম বকুল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
“অতীতের অভিজ্ঞতা অন্যায়ের মুখে আপস না করার শিক্ষা দেয়”—মতবিনিময় সভায় রকিবুল ইসলাম বকুল

মো: মোশারেফ আলী সোহেল:
অতীতের অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে অন্যায়ের সামনে মাথানত না করতে, আর বর্তমানের অঙ্গীকার—একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা”—এমন দৃঢ় মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল।

শুক্রবার রাতে খানজাহান আলী থানা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সাবেক নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে না দিলে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণ সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যেই দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে চলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ মতিয়ার রহমান এবং প্রধান বক্তা ছিলেন মীর কায়ছেদ আলী। বক্তব্য রাখেন শেখ ইকবাল হোসেন, কাজী মিজানুর রহমান, আবু সাঈদ আব্বাস, মিরাজুল ইসলাম নান্নু, মোল্লা সোহাগ, রফিকুল ইসলাম সবুর, মুন্সী আব্দুর রব, মোল্লা সুলাইমান হোসেন, কিবরিয়া মেম্বার, শহিদুল ইসলাম, মো. মহিউদ্দিন, মো. শাহজাহান, মো. পলাশ, আরিফুর রহমান সান্টু, হাদিউজ্জামানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বকুল আরও বলেন,বিএনপির জন্ম ত্যাগ-সংগ্রাম ও গণআকাঙ্ক্ষা থেকে। সংগঠনের শিকড় যখন মাটিতে গভীর হয়, তখন আন্দোলন হয় বলিষ্ঠ, নেতৃত্ব হয় দূরদর্শী এবং জনগণের অধিকার আদায়ের পথ সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যই হবে আগামী দিনের সবচেয়ে বড় শক্তি। অনুষ্ঠানের শেষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারাভিযানের আলোচনা সভার বক্তারা: ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধে নারীদের জন্য নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারাভিযানের আলোচনা সভার বক্তারা: ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধে নারীদের জন্য নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করতে হবে

নিজস্ব প্রতিনিধি: নারীদের একটি বড় অংশকেই অনলাইনে অপমানজনক মন্তব্য, অবাঞ্ছিত বার্তা, ভুয়া আইডি তৈরি, ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও অনুমতি ছাড়া প্রকাশসহ নানা ধরনের ডিজিটাল সহিংসতার মুখে ফেলছে। নারীর স্বাধীন মতপ্রকাশ রক্ষায় একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক ডিজিটাল স্পেস তৈরির জন্য সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। ২৯ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় খুলনা শহীদ হাদিস পার্কে রূপান্তর আয়োজিত মোমবাতি প্রজ্বলন ও শপথ বাক্য পাঠ অনুষ্ঠানে এ কথাগুলো বলেন বক্তারা।
‘ডিজিটাল সহিংসতা রুখে দিতে ঐক্যবদ্ধ হোন: নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করুন’ এই প্রতিপাদ্যে ‘১৬ দিনব্যাপী নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ২০২৫’ উপলক্ষে আশ্বাস প্রকল্পের আওতায় উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর মোমবাতি প্রজ্বলন, আলোচনা সভা, শপথ বাক্য পাঠ ও পটগান প্রদর্শনীর আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বক্তাব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইটি) নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছা, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ম্যাজিস্ট্রেট কৌশিক আহম্মেদ, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুরাইয়া সিদ্দীকা, রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, নারী নেত্রী ও উন্নয়ন কর্মী শামিমা সুলতানা শিলু, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী এ্যাড. মমিনুল ইসলাম ও অশোক কুমার সাহা, রূপান্তরের এইচআর ম্যানেজার মঞ্জুয়ারা পারভীন, প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর সুবল কুমার ঘোষ।
বক্তারা বলেন, নারীদের একটি বড় অংশকেই অনলাইনে অপমানজনক মন্তব্য, অবাঞ্ছিত বার্তা, ভুয়া আইডি তৈরি, ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও অনুমতি ছাড়া প্রকাশসহ নানা ধরনের ডিজিটাল সহিংসতার মুখে পড়তে হয়। এগুলো তাদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফলে নারীদের মধ্যে উদ্বেগ, হতাশা, ঘুমের ব্যাঘাত ও আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়ার মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়। ফেসবুক, টিকটক, হোয়াটসঅ্যাপসহ নানা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, কিন্তু এর আড়ালেই লুকিয়ে আছে ভয়ংঙ্কর মানব পাচারকারী চক্র। এই চক্রের এজেন্টরা (দালাল) টিকটক, লাইকি, ফেসবুক, টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে নারী ও শিশুদের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে এবং দেশে-বিদেশে লোভনীয় চাকরিসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের পাচার করছে। এমনকি জিম্মি করে মুক্তিপণ আদাও তারা প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে।
তাই সবার জন্য বিশেষ করে ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধে নারীদের জন্য নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করতে হবে বলে জোর দেন বক্তারা। বক্তারা আরও বলেন, কিন্তু অধিকাংশ ভুক্তভোগী এখনো রিপোর্টিং পদ্ধতি, সহায়তা কেন্দ্র ও প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা টুলস সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা রাখে না। সে কারণেই ডিজিটাল হয়রানি, ডিভাইস ও প্রযুক্তি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ সমস্যা, সাইবার বুলিং, অনলাইন নিরাপত্তা, মানসিক সুস্থতা এবং নারীর স্বাধীন মতপ্রকাশ রক্ষায় একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক ডিজিটাল স্পেস তৈরির জন্য সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। অনুষ্ঠানে শপথ বাক্য পাঠ করান উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নবনীতা দত্ত।
অনুষ্ঠানে নারী সংগঠনের প্রতিনিধি, ইয়োথ ক্লাবের প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, ছাত্র, শিক্ষক, সরকারী বেসরকারী চাকুরীজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, গৃহিনী, সিটিসি সদস্য, সিটিআইপি প্রতিনিধিসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রূপান্তরের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর রাবেয়া বশরী।

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুল হান্নান

নির্বাহী সম্পাদক : সুশান্ত রায়

বার্তা সম্পাদক: মো: বেলাল হোসেন

পদুয়ার বাজার, বিশ্বরোড, কুমিল্লা।

hannanbd032@gmail.com

Developed By: Digital Network