খুঁজুন
রবিবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উপকূলীয় অঞ্চলে বিলুপ্তপ্রায় লতা–পাতা–শাকের মেলা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
উপকূলীয় অঞ্চলে বিলুপ্তপ্রায় লতা–পাতা–শাকের মেলা অনুষ্ঠিত

শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলে বারসিকের আয়োজনে বিলুপ্তপ্রায়, অচাষকৃত ও ঔষধিগুণসম্পন্ন লতা, পাতা, শাকের এক বিশেষ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) বেলা ৩টায় শ্যামনগরের চন্ডিপুর দুর্গা মন্দিরের মাঠে বারসিক আয়োজিত এ ব্যতিক্রমী মেলায় স্থানীয় কৃষক, কৃষাণী ও পরিবেশ-সংগঠকরা অংশ নেন। মেলায় মোট ১২টি স্টল অংশ নেয়, যেখানে স্থানীয়ভাবে হারিয়ে যেতে বসা নানা জাতের ভেষজ ও খাদ্যগুণসম্পন্ন ১৩১ প্রকার শাক–লতা প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে চন্ডিপুর কৃষি নারী উন্নয়ন সংগঠনের সভাপতি শম্পা রানীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা সবুজ সংহতির সভাপতি অবশরপ্রাপ্ত শিক্ষক কৃষ্নানন্দ মূখার্জী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশ টিভি সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি সুমন কায়সার, শ্যামনগর উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আহসানুল্লাহ, বারসিকের আঞ্চিলক সম্নবয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, শংকর ম্রং, কর্মসুচী কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিলন, বর্ষা গাইন,প্রতিমা চ্যাটার্জী, লিপিকা গাইন প্রমূখ।
এসময় প্রধান অতিথি বলেন, “উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড় ও পরিবেশগত ঝুঁকির কারণে বহু দেশজ প্রজাতি হারিয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের মেলা এসব গাছপালা সংরক্ষণে জনগণকে সচেতন করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
অনুষ্ঠানের সভাপতি বলেন, “আমাদের পূর্বপুরুষরা যে লতা–পাতা ও শাক দিয়ে চিকিৎসা করতেন, সেগুলোর অনেকগুলো এখন আর দেখা যায় না। আমরা এগুলোকে আবার চাষাবাদ ও ব্যবহারিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে চাই।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গ্রীন কোয়ালিশন শ্যামনগর পৌরসভার সভাপতি কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি, সাধারণ সম্পাদক কিরণ শংকর চট্টোপাধ্যায় ও কৃষানী নুপুর মণ্ডল। তারা বলেন, উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রজাতির গাছপালা পুনরুদ্ধার অত্যন্ত জরুরি।

বারসিক এর সহযোগী কর্মসূচি কর্মকর্তা প্রতিমা চক্রবর্তী বলেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশীয় সম্পদের প্রতি আগ্রহী হচ্ছে এবং স্থানীয় জ্ঞান সংরক্ষণের পথ সুগম হচ্ছে।
স্থানীয় অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত এ মেলা উপকূলীয় পরিবেশ, খাদ্যসংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। মেলায় ১২ ষ্টলে ১১৫ টি শাকের প্রদর্শনী দিয়ে ১ম স্থান অধিকার করেন
লতিকা রানী ২য় স্থান অধিকার করেন শম্পা রানী, ৩য় স্থান অধিকার করেন কল্পনা রানী এছড়াও অন্যন্য স্টল প্রদর্শনে অংশগ্রহণ করেন ইতি গাইন-১০৯ প্রকার নুপুর রানী -১০২,যমুনা গাইন ৯৫,লতিকা মন্ডল ১১৫, কল্পনা রানী, ৬৬,সুচিত্রা রানী ৭৩,লতিকা রানী ৬৪, তৃষ্ণা +কনিকা রানী-৯০,মালতি রানী ৯৩, জোসনা বালা ৫৫, শিখা রানী ৮০,সুন্দরী রানী ১০০ প্রকার শাক ও লতা, পাতা প্রদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বারসিকের কমিউনিটি ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর লিপিকা গাইন।

খুলনায় আদালতে হাজিরা দিতে আসা দুজনকে গুলি করে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
খুলনায় আদালতে হাজিরা দিতে আসা দুজনকে গুলি করে হত্যা

মো: মোশারেফ আলী সোহেল: খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের বাইরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।
বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, নিহত দুজন হলেন মো. ফজলে রাব্বি (রাজন) ও হাসিব হাওলাদার।
পুলিশ জানায়, রাজনের নামে ছয়টা মামলা আছে। হাসিবের নামেও একাধিক মামলা আছে। দুজনই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সহযোগী। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জামিনে থাকা দুজন আসামি আদালতে হাজিরা দিয়ে আদালত ফটকের সামনে মোটরসাইকেল রেখে চা পান করতে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় চার থেকে পাঁচজন দুর্বৃত্ত হেঁটে এসে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে তাঁরা দুজন মাটিতে পড়ে গেলে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে তাদের। দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
গুলিবিদ্ধ হাসিবের ভাই শাকিল হাওলাদার বলেন, কিছুদিন আগে তাঁর ভাইয়ের নামে একটা অস্ত্র মামলা হয়। সেই মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে এসেছিলেন তাঁর ভাই।
খুলনা মহানগর পুলিশের খুলনা জোনের সহকারী কমিশনার শিহাব করিম বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। বিষয়টা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। কারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, কেন তাঁদের গুলি করা হয়েছে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। পরবর্তীতে জানানো হবে।

“অতীতের অভিজ্ঞতা অন্যায়ের মুখে আপস না করার শিক্ষা দেয়”—মতবিনিময় সভায় রকিবুল ইসলাম বকুল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
“অতীতের অভিজ্ঞতা অন্যায়ের মুখে আপস না করার শিক্ষা দেয়”—মতবিনিময় সভায় রকিবুল ইসলাম বকুল

মো: মোশারেফ আলী সোহেল:
অতীতের অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে অন্যায়ের সামনে মাথানত না করতে, আর বর্তমানের অঙ্গীকার—একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা”—এমন দৃঢ় মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল।

শুক্রবার রাতে খানজাহান আলী থানা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সাবেক নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে না দিলে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণ সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যেই দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে চলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ মতিয়ার রহমান এবং প্রধান বক্তা ছিলেন মীর কায়ছেদ আলী। বক্তব্য রাখেন শেখ ইকবাল হোসেন, কাজী মিজানুর রহমান, আবু সাঈদ আব্বাস, মিরাজুল ইসলাম নান্নু, মোল্লা সোহাগ, রফিকুল ইসলাম সবুর, মুন্সী আব্দুর রব, মোল্লা সুলাইমান হোসেন, কিবরিয়া মেম্বার, শহিদুল ইসলাম, মো. মহিউদ্দিন, মো. শাহজাহান, মো. পলাশ, আরিফুর রহমান সান্টু, হাদিউজ্জামানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বকুল আরও বলেন,বিএনপির জন্ম ত্যাগ-সংগ্রাম ও গণআকাঙ্ক্ষা থেকে। সংগঠনের শিকড় যখন মাটিতে গভীর হয়, তখন আন্দোলন হয় বলিষ্ঠ, নেতৃত্ব হয় দূরদর্শী এবং জনগণের অধিকার আদায়ের পথ সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যই হবে আগামী দিনের সবচেয়ে বড় শক্তি। অনুষ্ঠানের শেষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারাভিযানের আলোচনা সভার বক্তারা: ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধে নারীদের জন্য নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারাভিযানের আলোচনা সভার বক্তারা: ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধে নারীদের জন্য নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করতে হবে

নিজস্ব প্রতিনিধি: নারীদের একটি বড় অংশকেই অনলাইনে অপমানজনক মন্তব্য, অবাঞ্ছিত বার্তা, ভুয়া আইডি তৈরি, ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও অনুমতি ছাড়া প্রকাশসহ নানা ধরনের ডিজিটাল সহিংসতার মুখে ফেলছে। নারীর স্বাধীন মতপ্রকাশ রক্ষায় একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক ডিজিটাল স্পেস তৈরির জন্য সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। ২৯ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় খুলনা শহীদ হাদিস পার্কে রূপান্তর আয়োজিত মোমবাতি প্রজ্বলন ও শপথ বাক্য পাঠ অনুষ্ঠানে এ কথাগুলো বলেন বক্তারা।
‘ডিজিটাল সহিংসতা রুখে দিতে ঐক্যবদ্ধ হোন: নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করুন’ এই প্রতিপাদ্যে ‘১৬ দিনব্যাপী নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ২০২৫’ উপলক্ষে আশ্বাস প্রকল্পের আওতায় উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর মোমবাতি প্রজ্বলন, আলোচনা সভা, শপথ বাক্য পাঠ ও পটগান প্রদর্শনীর আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বক্তাব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইটি) নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছা, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ম্যাজিস্ট্রেট কৌশিক আহম্মেদ, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুরাইয়া সিদ্দীকা, রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, নারী নেত্রী ও উন্নয়ন কর্মী শামিমা সুলতানা শিলু, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী এ্যাড. মমিনুল ইসলাম ও অশোক কুমার সাহা, রূপান্তরের এইচআর ম্যানেজার মঞ্জুয়ারা পারভীন, প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর সুবল কুমার ঘোষ।
বক্তারা বলেন, নারীদের একটি বড় অংশকেই অনলাইনে অপমানজনক মন্তব্য, অবাঞ্ছিত বার্তা, ভুয়া আইডি তৈরি, ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও অনুমতি ছাড়া প্রকাশসহ নানা ধরনের ডিজিটাল সহিংসতার মুখে পড়তে হয়। এগুলো তাদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফলে নারীদের মধ্যে উদ্বেগ, হতাশা, ঘুমের ব্যাঘাত ও আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়ার মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়। ফেসবুক, টিকটক, হোয়াটসঅ্যাপসহ নানা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, কিন্তু এর আড়ালেই লুকিয়ে আছে ভয়ংঙ্কর মানব পাচারকারী চক্র। এই চক্রের এজেন্টরা (দালাল) টিকটক, লাইকি, ফেসবুক, টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে নারী ও শিশুদের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে এবং দেশে-বিদেশে লোভনীয় চাকরিসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের পাচার করছে। এমনকি জিম্মি করে মুক্তিপণ আদাও তারা প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে।
তাই সবার জন্য বিশেষ করে ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধে নারীদের জন্য নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করতে হবে বলে জোর দেন বক্তারা। বক্তারা আরও বলেন, কিন্তু অধিকাংশ ভুক্তভোগী এখনো রিপোর্টিং পদ্ধতি, সহায়তা কেন্দ্র ও প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা টুলস সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা রাখে না। সে কারণেই ডিজিটাল হয়রানি, ডিভাইস ও প্রযুক্তি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ সমস্যা, সাইবার বুলিং, অনলাইন নিরাপত্তা, মানসিক সুস্থতা এবং নারীর স্বাধীন মতপ্রকাশ রক্ষায় একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক ডিজিটাল স্পেস তৈরির জন্য সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। অনুষ্ঠানে শপথ বাক্য পাঠ করান উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নবনীতা দত্ত।
অনুষ্ঠানে নারী সংগঠনের প্রতিনিধি, ইয়োথ ক্লাবের প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, ছাত্র, শিক্ষক, সরকারী বেসরকারী চাকুরীজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, গৃহিনী, সিটিসি সদস্য, সিটিআইপি প্রতিনিধিসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রূপান্তরের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর রাবেয়া বশরী।

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুল হান্নান

নির্বাহী সম্পাদক : সুশান্ত রায়

বার্তা সম্পাদক: মো: বেলাল হোসেন

পদুয়ার বাজার, বিশ্বরোড, কুমিল্লা।

hannanbd032@gmail.com

Developed By: Digital Network