খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাজার সিন্ডিকেট নির্মূল হয়েছে, আগামী নির্বাচনের আগে দূর্নীতি নির্মূল হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫, ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ
বাজার সিন্ডিকেট নির্মূল হয়েছে, আগামী নির্বাচনের আগে দূর্নীতি নির্মূল হবে

স্টাফ রিপোর্টার: বাজার সিন্ডিকেট নির্মূল করেছি, আগামী নির্বাচনের আগে দুর্নীতিও দূর করবেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে তিনি এ কথা জানান।

শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ‘বাজার ব্যবস্থাপনায় সিন্ডিকেটকে নির্মূল করতে পেরেছি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দুর্নীতিও দূর করব।’

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী নির্বাচনের আগে চাকরির জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করব, জ্বালানি সংকট দূর করার মধ্যবর্তী ধাপে উত্তীর্ণ হতে পারবে।’

রিজার্ভ বৃদ্ধিসহ গত এক বছরে অনেক অর্জন হয়েছে বলেও জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা।

এদিকে দেশে মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে। বর্তমানে ৩০০৭৭ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন ডলার রিজার্ভ রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার (৬ আগস্ট) এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩০০৭৭ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ এখন ২৫০৫৭ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এর আগে গত ৪ আগস্ট পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩০০০০ দশমিক ৮১ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৪৯৭৭ দশমিক ৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এদিকে চলতি আগস্টের শুরুতে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে। আগস্টের প্রথম পাঁচ দিনে ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ (প্রতি ডলার ১২০ টাকা হিসাবে) ৪ হাজার এক কোটি টাকার বেশি।

বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

আরিফ হোসেন খান জানান, চলতি আগস্টের প্রথম ৫ দিনে ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের (২০২৪ সালের আগস্টের ৫ দিন) একই সময়ে এসেছিল ১৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। সে হিসেবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি এসেছে ১৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার বা ১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার (প্রায় ২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩০ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। যদিও মাসটিতে ৮টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স আসে। এরপর আগস্টে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি ডলার, জানুয়া‌রি‌তে ২১৯ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলার, মার্চে ৩২৯ কোটি ডলার, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি ডলার, মে মাসে ২৯৭ কোটি ডলার এবং জুনে রেমিট্যান্স আসে ২৮২ কোটি ডলারের।

বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চে সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত পুরো সময়ে মোট ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার।

খুলনায় মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
খুলনায় মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধিঃ ১৪ জানুয়ারি (বুধবার) সকাল ১১টায় খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার আড়ংঘাটা ইউনিয়ন মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির দ্বি-মাসিক সভা অত্র ইউপি চেয়ারম্যান এস এম ফরিদ আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

‎‎উইনরক ইন্টারন্যাশনালের বাস্তবায়নে এবং আশ্বাস প্রকল্পের আওতায় রূপান্তর এই সভা আয়োজন করে। সভার শুরুতেই গত সভার রেজুলেশন পাঠ ও সভার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন অত্র ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: আনছার আলী বিশ্বাস।
‎সভায় মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে ইউনিয়নের বরাদ্দকৃত খাত থেকে মাইকিং, ওয়ার্ড সভা, উঠান বৈঠক, দিবস উৎযাপন, সারভাইভারদের সুরক্ষা ও সেবা প্রাপ্তিতে সহায়তাসহ মানব পাচারের বর্তমান প্রবনতা, ধরন বা কৌশলের উপর ভিত্তি করে কমিউনিটির সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ্যাডভোকেসির ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে দ্বিমাসিক কর্মপরিকল্পনা তৈরী করা হয়।
‎আলোচনা সভায় অংশ নেন ইউপি সদস্য মো: রাজু আহম্মেদ, মো: জিল্লু রহমান, মো: আলামিন শেখ, ফারজানা বিউটি, তাসলিমা খাতুন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ছাবিহা শারমিন, ইউনিয়ন সমাজ কর্মী ফারজানা রহমান মনি, স্বাস্থ্য সহকারী মহুয়া আফছানা মৌ, শিক্ষক ইয়ার হোসেন, ইমাম মাওলানা আব্দুল ছবুর শেখ, ম্যারেজ রেজিষ্টার মো: মহিউদ্দিন, আনছার ভিডিপি ইউনিয়ন লিডার মো: জনি শেখ আশ্বাস প্রকল্পের প্রোগাম অফিসার মো: মোশারেফ আলী সোহেল, কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর মিতা মজুমদার প্রমুখ।

খালেদা জিয়া কখনো আপোষ করেননি, তাঁর দেখানো পথেই দেশ গড়বেন তারেক রহমান-খুলনায় নাগরিক শোকসভায় বক্তারা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
খালেদা জিয়া কখনো আপোষ করেননি, তাঁর  দেখানো পথেই দেশ গড়বেন তারেক রহমান-খুলনায় নাগরিক শোকসভায় বক্তারা

মো: মোশারেফ আলী সোহেল:
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ‘এশিয়ার নেলসন ম্যান্ডেলা’ হিসেবে অভিহিত করে বিএনপি নেতারা বলেছেন, আপোষহীন রাজনীতির যে দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন, সেই পথ ধরেই দেশ ও দল পরিচালনা করবেন তারেক রহমান। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনার ঐতিহাসিক শহীদ হাদিস পার্কে খুলনা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন বক্তারা।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও খুলনা ২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ৪১ বছরের রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়া একজন সাধারণ গৃহবধূ থেকে আপোষহীন দেশনেত্রীতে পরিণত হয়েছেন। তার সংগ্রাম ও ত্যাগের ইতিহাস পৃথিবীর রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল। তিনি বলেন, দেশের মানুষের ভোটে তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে তিনি দক্ষতার সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। “তার জীবনী শুধু আলোচনার নয়, গবেষণার বিষয়—উল্লেখ করেন মঞ্জু। বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত ত্যাগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে গিয়ে তিনি স্বামী হারিয়েছেন, সন্তান হারিয়েছেন। এক সন্তানকে বিদেশে রেখেও তিনি দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপোষ করেননি। এরশাদ শাসনামলে বিএনপিকে সংগঠিত করা এবং রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় গণতন্ত্রে উত্তরণে তার ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক।
সার্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন,শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত সার্ককে বেগম জিয়া অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, যিনি সব রাজনৈতিক শক্তিকে এক প্ল্যাটফর্মে এনেছিলেন। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ছাত্র-জনতার যে বিজয় অর্জিত হয়েছে, তার বড় দাবিদার বেগম খালেদা জিয়া। “১৬ বছরের আন্দোলন ও সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশ আজ স্বৈরাচারমুক্ত। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সফল হতে হবে এবং দ্রুত একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বিএনপি নিয়ে সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বিএনপি মানুষের হাড়-মজ্জায় মিশে আছে। ঘরে ঘরে, বাসে-ট্রেনে, চায়ের দোকানে—সর্বত্র বিএনপি। ষড়যন্ত্র করে বিএনপির অগ্রযাত্রা থামানো যাবে না। প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেন,বাংলাদেশের এমন কোনো প্রান্ত নেই, যেখানে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া হচ্ছে না। তিনি এখন আর শুধু বিএনপির নন, তিনি পুরো জাতির সম্পদ। রাজনৈতিক স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ১৯৮১ সালে রাজনীতিতে পদার্পণ এবং ১৯৮৪ সালে বিএনপির দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশ অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। “দলবদল তখন সংক্রামক ব্যাধির মতো ছিল। কিন্তু বেগম জিয়া রাজপথে থেকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।” তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে আমরা স্লোগান দিতাম—‘হটাও এরশাদ, বাঁচাও দেশ, খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ’।বেগম খালেদা জিয়াকে ফিলিপাইনের নেত্রী কোরাজন অ্যাকুইনোর সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, জনগণের শক্তিতেই তিনি স্বৈরাচারকে বিদায় নিতে বাধ্য করেছিলেন। বেগম জিয়ার শাসনামলের সংস্কারমূলক পদক্ষেপ তুলে ধরে হেলাল বলেন, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মেয়েদের দশম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা এবং বিদ্যালয়ে খাবার কর্মসূচি ছিল যুগান্তকারী উদ্যোগ। নারী মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি এবং তারামন বিবির মতো বীরাঙ্গনাদের সম্মান পুনরুদ্ধারও তার সাহসী সিদ্ধান্তের উদাহরণ।
আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে এবং দেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হবে। তিনি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়ে বলেন, ৫০ লাখ পরিবারকে এই কার্ড দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে পরিবারের মায়েরা মাসে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা সরাসরি পাবেন। উন্নত চিকিৎসার ব্যয়ভারও রাষ্ট্র বহন করবে।”
সভাপতির বক্তব্যে খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন মানেই গণতন্ত্রের জন্য আপোষহীন লড়াই। বেগম খালেদা জিয়া ও আপোষহীনতা—এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক। তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি বিদেশের মাটিতেও আপোষ করেননি।ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন—সম্পর্ক হবে সমতা ও সম্মানের ভিত্তিতে। এমন দৃঢ়তা কেবল তার পক্ষেই সম্ভব। আগামী নেতৃত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমান আমাদের আশার আলো। বেগম খালেদা জিয়া যে পথ দেখিয়েছেন, সেই পথেই তিনি দল ও রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন। খুলনার জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ধানের শীষে ভোট দিয়েই জাতীয়তাবাদী শক্তিকে বিজয়ী করতে হবে।
সভায় বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, জেলা বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, ড্যাব সভাপতি ডা. রফিকুল ইসলাম বাবলু, খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, খুলনা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শোক সভার সঞ্চালনা ও শোক প্রস্তাব পাঠ করেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। সভা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা এবং প্রয়াত নেতাকর্মীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

সবাই মিলে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে আমরা একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে পারবো।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
সবাই মিলে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে আমরা একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে পারবো।

দিঘলিয়ার সেনহাটী ইউনিয়নে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সভায় বক্তারা: সবাই মিলে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে আমরা একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে পারবো।

মানব পাচার একটি গুরুতর অপরাধ। যা শুধু মানুষের মৌলিক অধিকার লঙঘন করে না, বরং একটি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকেও হুমকির মুখে ফেলে। সবাই মিলে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে আমরা একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে পারবো। ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটী ইউনিয়ন মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির দ্বি-মাসিক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। অত্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়া গাজীর সভাপতিত্বে উক্ত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নবনীতা দত্ত।

‎‎সভার শুরুতেই গত সভার রেজুলেশন পাঠ ও সভার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন অত্র ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তানভীন আক্তার ডলি।
‎উইনরক ইন্টারন্যাশনালের বাস্তবায়নে এবং আশ্বাস প্রকল্পের আওতায় রূপান্তর এই সভা আয়োজন করে। সভায় মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে ইউনিয়নের বরাদ্দকৃত খাত থেকে মাইকিং, ওয়ার্ড সভা, উঠান বৈঠক, দিবস উৎযাপন, সারভাইভারদের সুরক্ষা ও সেবা প্রাপ্তিতে সহায়তাসহ মানব পাচারের বর্তমান প্রবনতা, ধরন বা কৌশলের উপর ভিত্তি করে কমিউনিটির সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ্যাডভোকেসির ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে দ্বিমাসিক কর্মপরিকল্পনা তৈরী করা হয়।
‎আলোচনা সভায় অংশ নেন ইউপি সদস্য এস এম আছাদুজ্জার জামান, মো: আকবর সরদার, মো: আমীর হোসেন, ঝর্ণা খাতুন, উপ কৃষি কর্মকর্তা সাগর সরকার, উপজেলা প্রেস ক্লাবের উপদেষ্ঠা ডা. সৈয়দ আবুল কাশেম, স্বাস্থ্য সহকারী সেলিলা অক্তার, শিক্ষক নাছিমা খাতুন, ইমাম মাওলানা মো: আলমগীর, আশ্বাস প্রকল্পের প্রোগাম অফিসার মো: মোশারেফ আলী সোহেল, কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর নাজমুন হাছিন রিপা প্রমুখ।

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুল হান্নান

নির্বাহী সম্পাদক : সুশান্ত রায়

বার্তা সম্পাদক: মো: বেলাল হোসেন

পদুয়ার বাজার, বিশ্বরোড, কুমিল্লা।

hannanbd032@gmail.com

Developed By: Digital Network